মিশরীয় সভ্যতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা কর? - অ্যান্সগুরু
20 বার প্রদর্শিত
"পড়াশোনা" বিভাগে করেছেন
সম্পাদিত করেছেন

এই প্রশ্নটির উত্তর দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন

ভূমিকা : ইতিহাসে "The daughter of the Nie" নামে খ্যাত মিশরের প্রাচান ইতিহাস বিশ্ব সভ্যতার ইতিহাসে একটি গৌরবােজ্জ্বল অধ্যায় সংযােজন করেছে। প্রাচীন মিশরই ছিল বিশ্বর শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সভ্যতার অগ্রদৃত।ঐতিহাসিকদের মতে-মিশরীয় সভ্যতা বাবিলনীয়, অ্যাসিরীয়, ফিনিসীয়, হিব, মহেজোদাড়াে ও হরপ্পার সভ্যতা অপেক্ষাও ছিল অধিক প্রাচীন। এ সকল সভ্যতা মিশরীয় সভ্যতার কাছে ছিল ঋণী প্রফেসর ফিল্ডার্স পেট্টি মিশরীয় সভ্যতাকে খ্রিস্টপূর্ব ১০,০০০ বছরের প্রাচীন বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। ঐতিহাসিক মায়ার্স (Myers) যথার্থভাবেই বলেন, ["Egypt, we thus see, made valuable gift to civilization. From the Nile came the germs of much found in the later cultures of the peoples of Western Asia and of the Greeks and Romans,and through their agency in that of the modern world."] "এরূপে আমরা লক্ষ্য করি যে, সভ্যতার ক্ষেত্রে মিশর মূল্যবান অবদান রেখেছে। নীলনদের সভ্যতার উপাদানসমূহ অধিকহারে পরবর্তীকালে পশ্চিম এশিয়া, গ্রীক এবং রােমান সভ্যতায় পরিলক্ষিত হয। এগুলোর মাধ্যমে আধুনিক বিশ্বেও তার প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।"


নীলনদের দান : মিশরকে "নীলনদের দান" (The Gift of the Nile) বলা হয়। কারণ নীলনদের অভাবে মিশর মরুভূমিতে পরিণত হত। প্রতি বছর জুন হতে অক্টাবর মাসের মধ্যে নীলনদের উভয় তীর প্লাবিত হয়। প্লাবন শেষে পলিমাটিতে উভয় তীর দৈর্ঘ্য ৬০০ মাইল এবং প্রস্থে ১০ মাইল পর্যন্ত ভরে যায়। এরূপে সঞ্চিত পলিমাটির গুণে উভয় তূ-ভাগ অত্যন্ত উর্বর হয়। ফলে প্রচুর শস্য, তুলা প্রভৃতি উৎপন্ন হওয়ায় মিশর একটি সমদ্ধিশালী দেশে পরিণত হয়েছে। এশিয়া, উরোপ ও আফ্রিকা এ তিনটি মহাদেশ দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকায় এবং ভূমধ্যসাগরের উপকৃলে বিদ্যমান হবার ফলে মিশরের ভৌগােলিক অবসথানও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নীল নদের তীরে সিনাই পাহাড় ও অন্যান্য পর্বতমালা এবং চূনা পাথরের
 পাহাড়গুলাে বিদ্যমান থাকায় শিল্পদ্রব্য ও অসর-শস্ত্র তৈরি করার জন্য মিশরবাসীকে বিভিন্ন প্রকার ধাতু সরবরাহ করেছে।
মিশরের সমৃদ্ধি, আড়ুম্বর ও প্রগতি এ সকল দ্রব্যসামগ্রী এবং উল্লিখিত সুযোগ-সুবিধার জন্য সম্ভব হয়েছে। এক কথায়,
গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান ও নীলনদের দানের ফলে মিশরেই বিশ্বের সর্বাপেক্ষা প্রাচীন সভ্যতার উৎপত্তি ও বিকাশ ঘটে।
মিশরের রাজনৈতিক ইতিহাস  খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দের পূর্বের মিশরীয় ইতিহাসকে প্রাক-ডাইনেস্ট যুগ বলা হয়। এ যুগে মিশরে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সবাধীন নগররাষ্টের উদ্ভব ঘটে। এ সময় মিশরে বসবাসকারী জনগণ ছিল ককেশাস জাতির
ভূমধ্যসাগরীয় শাখার অন্তর্ভুক্ত। নিগ্রো ও সেমটিক জাতির সংমিশ্রণওড তাঁদের মধ্যে পরিলক্ষিত হত। তারা সেমিটিক ভাষায়
কথাবার্তা বলত। তারা ছিল খাটো, কৃষ্ণকায়, লম্বা নাক, কালাে চূল এবং লম্বা মাথাবিশিষ্ট জাতি।
প্রাক-ডাইনেষ্টি যুগাবসানের পর মিশর- উত্তর মিশর ও দক্ষিণ মিশর এ দু'ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। খ্রিস্টপর্ব ৩৫০০ অব্দে এ দুই অংশকে একত্রিত করে মেনেস তার শাসক নিযুক্ত হন। তাঁর রাজধানী স্থাপিত হয় মেশফিস শহরে।
পরবর্তীরকালে রাজধানী থিবেশ শহরে স্থানান্তরিত হয়। প্রাচীন মিশরে ৩১টি রাজবংশ প্রায় ৩০০০ হাজার বছরকাল ধারে খ্রিস্টপূর্ব ২৩০০ অব্দে প্রাচীন রাজবংশের পরিসমান্তি ঘটলে সামন্ত যুগের সূচনা হয়। মিশরের ইতিহাসে এ যুগ
(খ্রিস্টপূর্ব ২৩০০-২১০০ অব্দ) অনাচার, ব্যভিচার, অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলার যুগ হিসেবে কলজ্কিত হয়ে রয়েছে। এর মুলে ছিল সামন্তরাজদের মধ্যে দ্বন্দু ও কোন্দল। অংশগ্রহণের সুযােগ লাভ করে। জনগণ ভূ-সম্পত্তির মালিকানাপ্রাপ্ত হয়। এ যুগের সরকারকে গণতান্ত্রিক সরকার বলে
আখ্যায়িত করা হয়। খ্স্টপূর্ব ১৭৫০ অব্দে দক্ষিণ এশিয়ার যাযাবর জাতি যারা ইতিহাসে হিকসস নামে পরিচিত তারা আক্রমণ পরিচালনা করে মিশরীয় রাজতন্ত্রে কৃঠারাঘাত করে। কিন্তু খ্রিস্টপূর্ব ১৫৮০ অব্দে মিশরীয়গণ সং্ঘবন্ধভাবে এক অভিযান পরিচালনা করে হিকসসদেরকে মিশর থেকে বিতাড়িত করে। অতঃপর খ্রিস্টপূর্ব ১৪৭৯ অন্দে মিশরীয়ণণ সিরিয়া
ও ইরাক অধিকার করে। এ সময় ফনেসীয়, কালদীয়, হিটাইট ও অ্যাসিরীয়গণও তাদের পদানত হয়।পতন ও যা হােক, মিশরের নৃপতিগণ তাদের সুহুদ ও অমাত্যগণকে বিপুল ডু-সম্পত্তি দান করতেন সতপাত ঘটে এবং ব্যবসায়-বাণিজ্য হাস পেতে থাকে। এভাবে ষড়বিংশতি রাজবংশের শাসনকালের শেযের দিকে মিশর
সমাজ্ দুর্বन হয়ে পড়ে এবং প্রথমদিকে ব্যাবিলন এবং পরের দিকে পারসা সাম্রাজ্যতুত্ত্ত হয়ে পড়ে। পরবর্তীকালে মেসিডােনিয়ান, রােমান, আরব, তু্কী ও ইংরেজদের কবলে মিশর চলে যায়। অতঃপর বহু ত্যাগ-তিতিক্ষা আনোजন
একটি সাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্ররুপে আত্মপ্রতিষ্ঠা লাভ করে।


প্রাচীন মিশরের শাসনব্যবস্থা ঃ প্রাচীন মিশরীয় শাসন-ব্যবস্থায় পুরোেহিততন্ত্রের প্রভাব প্রকটভাবে পরিলক্ষিত হয়। একচ্ছত্র অধিপতি মিশরের রাজা নিজেকে সূর্য দেবতা 'রা' -এর সন্তান বলে দাবি করতেন এবং তিনি তার অর্থাৎ উৎপত্তি হয়েছে পের-অ অর্থাৎ বৃহৎ গৃহ অথবা রাজ-পরিবার। হতে ।ঐশ্বরিক ক্ষমতা এবং প্রাচীন আইন মােতাবক ফেরাউন রাজ্য শাসন করতেন


পিরামিড: খ্রিস্টপূর্ব ২১০০ অব্দে খফ নামক জনৈক রাজ্জা কায়রো নগরী হতে দক্ষিণ-পণ্চিমে কয়েক মাইল দূরে মরুভূমিতে ১৩ একর জমির উপর ১০০০০০ এক লক্ষ শ্রমিকের সাহাযে্য ২০ বছর ধরে পাথরের বিশাল পিরামিড
না করেন। এটা লম্বায় ৭৫৫ ফুট এবং উচ্চতায় ৪৮১ ফুট। এর নির্মাণে ২৩ লক্ষ পাথরের বড় বড় টুকরা ব্যবহুত হয়।
বরের ওজন আড়াই টন এবং নির্মিত পিরামিডটির ওজ্ন ৩৮,৮৩,০০০ টন। পিরামিডটি সম্পর্ক ঐতিহাসিক।শ্রেসঢেড বলেন, "গিজার বিখ্যাত পিরামিড মানষের ইতিহাসের একটি স্বাক্ষর হিসেবে দণডায়মান রয়েছে।

 [The great pyramid of Gizeh is a
documnent in the history of human mind. It clearly discloses man's sense of sovereign power in his umph over material forces.]"

উক্ত ঐতিহাসিক আরও বলেন, "বাস্পচালিত ইঞ্জিন আবিষ্কৃত হবার পূর্বে মিশরের
কারিগরি উদ্ভাবনী কৌশলের সাথে তুলনায় আমরা আদৌ শ্রেষ্ঠ ছিলাম না।"


 [If we compare the techrnical
Inventory of the Egyptians with our own, it is evident that before the invention of  steam engine,
scarcely excelled them in anything.]


ধর্মীয় ইতিহাস : প্রাচীন মিশরীয়দের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই ধর্মের প্রতাব ছিল অপরিসীম। শুধু ধর্মীয় শাসন বা পুরােহিততন্ই নয়, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনেও ধর্মের অনুশাসনের প্রতিফলন পরিদৃষ্ট হয়। প্রকৃত্পক্ষে
প্রাচীন জাতিগুলোের মধ্যে মিশরীয়রাই সর্বপ্রথম ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রচলন করে।
মিশরীয়দের প্রধান দেবতার নাম ছিল "আমন-রে'। নীলনদের দেবতার নাম ছিল ওসিরিস। বিড়াল, কুমীর, বাঁড়,
নির্দিষ্ট কিছুসংখ্যক পক্ষীও তাদের শ্রদ্ধার পাত্র ছিল। তাদের ধর্মীয় জীবনে 'বা (আত্মা) এবং 'কা(কায়া)-এর প্রভাব
ছিল সর্বাধিক। মৃত্যুর পর 'বা পুনরায় তারই "কা'তে আশ্রয় গ্রহণ করত। এভাবে তারা আত্মার অবিনশ্বরতা ও পরজনে
বিশ্বসী ছিল। দেহ ছাড়া আত্মা ঈশ্বরের সান্নিধ্যলাভে বকিত হতে পারে, এ কারণে তারা দেহকে সংরক্ষণ করার জন্য
বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে সুগন্ধ দ্রব্য ও রাসায়নিক পদার্থ দ্বারা মমি প্রস্তৃত করত। মমীকে যুগ পরম্পরায় অক্ষত রাখার জন্য
নির্মিত হয় সমাধি স্তম্ভ পিরামিড। পুনর্জন্মে গভীর বিশ্বাসের জন্য তারা মুতদেহের সাথে নানাবিধ খাদ্যদ্র্য কবরের পাশে
রেখে দিত। তারা আরও বিশ্বাস করত যে মৃত্যুর পর অসিরিস নামক বিচারকের সম্মুখীন হয়ে জীবনের হিসাব-নিরকাশ দিতে হবে। যারা সৎ ও ধর্মভীরু তাদের পুরস্কারস্বরূপ "স্বর্গে এবং পাপীদের 'নরকে পাঠানো হবে।
মেনহােটেপদের মনির থেকে বিতাড়িত করে দেবদেবীর পূজা নিষিদ্ধ ঘাোষণা করেন। তিনি ইথনাটন নাম ধারণ কযে প্রতিষ্ঠাতার
বা একেশবরবাদ্ের মতবাদ প্রচার করেন। এভাবে প্রাচীন মিশরায়দের মধ্য একেশ্বরবাদের মূলমন্ত্রের প্রথম প্রতি
গৌরব অর্জন করেছিলেন সর্প্রথম তিনি। পরবর্তীকালে প্রায় ৬০০ বছর পর ইহুদিরা এ মতবাদ পুনর্জীবিত করে।
প্রয়ােজনে সমতবত তারাই সর্বপ্রথম লিখন পন্ধতি আবিষ্ষার করে। এই পন্ধতিতে ২৪টি চিহ্ন ছিল এবং প্রতেকটি কিছু
বিশেষ বিশেষ অর্থ প্রকাশ করত। প্রাচীন মিশরীয়রা ছবির সাহায্যে লেখার কাজ পরিচালনা করত। ছবিগুলো এমনভাবে
নিদর্শন পরিলক্ষিত হয়। যথা ও চিত্র লিখন, হিরাটিক (বা দ্রত লিখন পদ্ধতি) এবং ডেমোটিক যা জনসাধারণ ব্যবহর 
করত। যা হােক ঐতিহাসিক মায়ার্স বলেন    "সম্তবত প্রাচীন মিশরীয়দের সর্বাপেক্ষা শ্রেষ্ঠ অবদান হচ্ছে এপ্রতার নিখন 
পদ্ধতির প্রচলন। যিশ খ্রিস্টের জন্মের ৪ হাজারের অধিক বছর পূর্বে তারা আংশিকভাবে ছবির সাহাযে এবং আংশিকতাবে
অক্ষরের সাহায্যে এক প্রকার কৌতৃহল উদ্দীপক ও জটিল লিখন পদ্ধতির প্রবর্তন করেছিল।

 "   Perhaps the greatest achievement of the ancient Egyptians was the working out of a system of writing. More than
four thousand years before Christ they had cdeveloped a very curious and complex aystem,
which was partly picture writing and partly alphabetic"|


শিল্প মিশরীয়রা সর্ণ, রৌপ্য ও বােঞ্জের ব্যবহার আনত। এগলাের সাহায্যে তারা নানা প্রকার অলংকার
প্রভাবান্বিত করেছে। তারা হিসাবপত্রে, ধাতবপত্র ও দ্রব্যাদি নির্মাণ, বস্র বয়নে, মুৎ পাত্র নির্মাণে এবং মিশরে নীলনদের
জলাভৃমিতে উৎপন্ন প্যাপিরাস নামক উদ্তিদ হতে প্যান্ডেল, দড়ি প্রভৃতি নির্মাণ ক্ষত্রে বিশেষতাবে দক্ষতা অর্জন করেছিল
এবং বিশ্বর অন্যান্য জাতির উপর এগুলোর প্রভাব যথেষ্ট পরিদূষ্ট হয়। সাহিত্য ও প্রাচীন মিশরীয়গণ সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্রেও অসামান্য কৃতিত্ব প্রদর্শন করে গেছে। তাদের সাহিত্যাচ্চা মূলত
ছিল দর্শন ও ধর্মতিত্তিক। "পিরামিড টেক্স্টস্", "মেমফিস ড্রামা", "রয়াল সান হিম", "মুতদের পুস্তক", "আতেনের
পেনতুর" এবং প্রকন সাহিত্যের ক্ষেত্র প্রিসেষ্ট অব টাচ্জটেপ -এর নাম সবিশেষ উল্লেখযোগ্য। এভভাবে তারা কাবা
ছােটগল্ এবং ইতিহাস চর্চায় প্রভৃত উন্নুতি সাধন করে।
বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানের প্রায় সকল শাখায় প্রাচীন মিসরীয়দের অশেষ বদান সক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে 
বিয়ােগ, ভাগ ও দশমিক প্রথার প্রবর্তন করে। জ্যামিতি শাস্র্রে তারাই প্রথম কৌণিক , আয়তক্ষেত্র এবং ষড়ভূজ আবিষ্ষার করে।তারা জ্যোতির্বিদ্যায়ও প্রভৃত উন্নতি সাধন করেছিল। মিশরীয়রা চন্ত্র, সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র প্রতৃতির পরিভ্রমণ এবং খতুর কমবিকাশের সাথে নীলনদের বন্যার সম্পর্ক নির্ণয়ের জন্য সৌরবর্ষের আবিষ্কার করেন। তারা সৌর বছরকে ৩৬৫ দিনে 
বা ১২ মাসে এবং মাসকে ৩০ দিনে বিভ্ত করে। তাদের দিনপঞ্জি গ্রেগরিয়ান, সিজারিয়ান এবং জালালী দিনপত্তির জন্মদাতা বললেও অত্যুক্তি করা হবে না। তারা দন্ত চিকিৎসায় অস্র্রোপচারে, পাকস্থলীর পীড়ার চিকিৎসায়, হুদযনত্র ও
নাডীর জ্ঞানও তারা রাখত। এ সকল বিদ্যার জ্ঞান গ্রীকগণ ইউরোপে পাচার করে।
স্থাপত্য ও নির্মাণ কৌশন ৪ প্রাচীন বিশ্বের সপ্তাস্চর্যের অন্যতম হিসেবে পরিগণিত তাদের নির্মিত গিরামিডগুলো এবং অভ্ভুত আকৃতির স্ফিংকস্ আজও দর্শকদর বিস্ময়ে বিমুগ্থ করে । মিশরের অক্ষত মমীগুলােও আধুনিক যুগের
বিজ্ঞানীদের প্রতি একটি বিস্ময়কর চ্যালেঞ্জস্বরূপ।
স্থাপত্য শিল্লের কলাকৌীশল হিসেবে স্ম্ভবেষ্টিত প্রাসাদ, বহুতলাবিশিষ্ট অট্রালিকা সবকিছুই মিশরে বিকাশ লাভ করে। তাদের স্থাপত্য শিল্পের কলাকৌশল গ্রীক ও রামান স্থাপত্য শিল্প এবং মধ্যযুগীয় ইউরোপীয় সথাপত্য শিল্পকে
বিশেষভাবে প্রভাবান্বিত করে। ঐতিহাসিক মায়ার্স বলেন ও "স্থাপত্য নির্মাণ কৌশলের অনেক ক্ষেত্রেই প্রাচীন মিশরীয়দরকে কেউই অতিক্রম করতে পারে নি। এখানে উল্লেখ্য যে শিল্পকলার ক্ষেত্রে সমসাময়িক সভ্যতাগুলোর উপর।

" [In the building art the ancient Egyptians, in some respects, never surpassed ..... lt should be noted here that it was especially in the domain of art that the
influence of Egypt was exerted upon contemporary civilization]"

ডাক্তার, ব্যবসায়ী ও লেখক মধ্যাবিত্ বা ততীয় শেণীর ছিল। কৃষক ও শিল্পীরা ছিল চতু্থ শ্রেণীর
সম ও সবীনিমন শ্রেণীর অনস্র্ণত ছিল দাসবা। বিভিন শেণীর ওনগণের মধ্য তিক্তুতাপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান ছিল। জনেক জনদরদী মিশরীয় নরপতি নীলনদের পর্বাল হতে লোেহিত সাগর পর্যন্ত একটি খাল খনন করেছিলেন। এ ব্যবহৃত হত।
মিশরীয় সভ্যতার মূল্যায়ন ও প্রভাব এভাবে মিশরীয়গণ আধুনিক সভযতার মূলভিত্তির রচনা করে বিশ্ব সভ্যতার বিকাশে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে গেছে। ঐতিহাসিক রালফ এবং বার্ণ বলেন,  "বর্তমান যুগের গুরুত্ব্ বিচারে প্রাচীনকালের খুব কম সভ্যতাই মিশরীয়দের অতিক্রান্ত করতে পেরেছে।"
 প্রাচীন মিশরীয়দের সরকার পদ্ধতি, আইন, সথাপত্য, শিল্পকলা, সাহিত্য, ধর্ম, কৃষি, শিল্ন, লিখন-পদ্ধতি, বৈজ্ঞানিক বর্ষপঞ্জিকা ইত্যাদির নিকট বিশ্বসভ্যতা পরবর্তীকালের প্রাচ্য ও প্রতিচ্যের সকল সভ্যতা খণী। হিব্
জাতি, ফনেসীয় জাতি এবং গ্রীক জাতি সভ্যতার ক্ষে্ত্রে প্রাচীন মিশরীয়দের ছাত্র এবং তারা সবাই মিশরীয় সভ্যতা ধার করেছিল।
করেছেন

খুব সুন্দর উত্তর।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
1 উত্তর
1 উত্তর
অ্যান্সগুরু বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি অনলাইন কমিউনিটি। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করতে পারবেন ৷ আর অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে অবদান রাখতে পারবেন ৷

1,381 টি প্রশ্ন

1,164 টি উত্তর

5 টি মন্তব্য

50,634 জন সদস্য

5 Online Users
3 Member 2 Guest
Today Visits : 3699
Yesterday Visits : 9030
Total Visits : 337237
...